রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন
ফাইল ছবি বিশেষ প্রতিবেদক:
গত সোমবারের বালুখালী রোহিঙ্গা শিবিরে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনার বিষয়ে বৃহষ্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সময়েও থানায় কোন নিয়মিত মামলা রুজু হয়নি। ওই অগ্নিকান্ডের ঘটনায় নারী-শিশু সহ ১১ রোহিঙ্গা নিহত হন। সেই সাথে ১০ হাজারেরও বেশী ঘর আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। অথচ এই ভয়াল ঘটনার পর ইতিমধ্যে দীর্ঘ ৪ দিন অতিবাহিত হয়ে গেছে।
ওদিকে অগ্নিকান্ডের ঘটনার সময় আটক এক কিশোর সহ ৮ সন্ত্রাসী রোহিঙ্গাকে বুধবার কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। অগ্নিকান্ডের সময় এসব রোহিঙ্গারা কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগে শিবিরের দায়িত্বে থাকা এপিবিএন সদস্যরা তাদের আটক করেছিল।
অগ্নিকান্ডের ঘটনার ব্যাপারে এখনো কোন মামলা না করার কথা স্বীকার করেন বালুখালী- ৯ নম্বর শিবিরের দায়িত্বে থাকা সরকারি কর্মকর্তা (সিআইসি) মোঃ তানজীম। মোঃ তানজীম বৃহষ্পতিবার সন্ধ্যায় বলেন-‘ অগ্নিকান্ডে প্রাণহানি এবং সম্পদ হানির ঘটনায় এখনো কোন মামলা রুজু করা হয়নি। বিষয়টি শরনার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের (আরআরআরসি) অফিস ভাল বলতে পারবে।’ এ বিষয়ে অতিরিক্ত শরনার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোঃ সামছু-দ্দৌজা ও এখনো পর্যন্ত কোন মামলা রুজু করা হয়নি বলে জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির জ্যেষ্ট আইনজীবীএবং সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর বলেন-‘ এত বড় একটি ম্যাচাকার ঘটনার পরেও এখনো মামলা না করা বা বিলম্বে মামলা করা হলে সঙ্গত কারণেই ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষ আইনের চোখে সন্দেহের মুখে পড়ে থাকে। তাই দ্রæত মামলা রুজু করা উচিত।’
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহম্মদ সনজুর মোরশেদ জানিয়েছেন-‘সোমবারের অগ্নিকান্ড নিয়ে হতাহত এবং সম্পদহানি বিষয়ে আজ (বৃহষ্পতিবার) পর্যন্ত কেউ মামলা নিয়ে থানায় আসেনি। তাই এ ব্যাপারে কোন নিয়মিত মামলাও রুজু করা হয়নি।’ ওসি জানান, তবে আগুনে পুড়ে যাওয়া রোহিঙ্গা শিবিরে দায়িত্বরত আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ান (এপিবিএন) কর্তৃক আটক এক কিশোর সহ ৮ রোহিঙ্গাকে থানায় সোপর্দ্দ করা হয়েছে।
ভয়েস/জেইউ।